বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৪ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারসহ তিনজনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদের আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ডের মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এমদাদুল হক খোকন, সোহেল রানা ও ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জাবেদ জাহিদ। সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রনপ কুমার বিষয়টি জানিয়েছেন।

এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বাড্ডা থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর তাদের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধীতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত বুধবার প্রশ্নফাঁসের মূলহোতা আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি টেকনিশিয়ান মুক্তারুজ্জামান রয়েলসহ তিন আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। অপর আসামিরা হলেন-জনতা ব্যাংকের গুলশান শাখার অফিসার শামসুল হক শ্যামল ও পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান মিলন। এছাড়া অপর দুই আসামি রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জানে আলম মিলন (৩০) ও চাকরিপ্রার্থী রাইসুল ইসলাম স্বপনের রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা, পাঁচটি ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে এক হাজার ৫১১ জন জনকে নিয়োগ দিতে ৬ নভেম্বর বিকেলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকের সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র তৈরি ও পরীক্ষা সম্পাদনের দায়িত্বে ছিল আহছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

আরও পড়ুন