রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

নিজের জন্মদিনে বাগদান সেরেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। মিমের হবু বরের নাম সনি পোদ্দার। পেশায় একজন ব্যাংকার। বর্তমানে সিটি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বেশ পরিকল্পিতভাবে এনগেজমেন্ট সম্পন্ন করেন তারা। সনির সঙ্গে ছয় বছর প্রেম করলেও তা গোপন রেখেছিলেন এই নায়িকা।

মিম বলেন, ওর (সনি) সঙ্গে আমার পরিচয় সানজিদা অর্নি নামের এক বান্ধবীর মাধ্যমে। সেটাও আবার ফেসবুকে। অর্নির সঙ্গে সনি তখন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে চাকরি করতো। অর্নি আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করত আমার লাইফে কেউ আছে কি না, কারো সঙ্গে প্রেম করি কিনা। আমি একবার মজার ছলেই ওকে বললাম, খোঁজ পেলে দেখ। এরপর ও বলে, দোস্ত একটা ভালো ছেলে আছে। কথা বলবি? আমি সরাসরি না করে দেই। কারণ চিনি না, জানি না, কেন কথা বলব! অর্নি বলল, বন্ধু হিসেবেই কথা বল। তাই নরমালি বন্ধু হিসেবে কথা বলা শুরু।

তিনি আরও বলেন, ফেসবুকে তিনজন মিলে গ্রুপ খুলল। সেই গ্রুপেই কথা বলতাম আমরা। কিছু দিন কথা বলার পর সনি আর আমি মিলে আলাদা কথা বলা শুরু করি! ভালোবাসার কথাটা প্রথম কে বলেছিল? এমন প্রশ্নে মিম বলেন, সনিই দিয়েছিল প্রস্তাবটা। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরের ১১ তারিখ হবে হয়ত! আসলে তারিখটা নির্দিষ্ট করে মনে নেই। এগুলো ও খুব ভালোভাবে মনে রাখতে পারে।

তার সঙ্গে মিম প্রথম দেখা করেন রাজধানীর গ্লোরিয়া জিন্সে। তবে প্রথমদিন লজ্জায় সেখানে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মিম। প্রথম দেখা করার অভিজ্ঞতা জানিয়ে নায়িকা বলেন, আমাদের প্রথম দেখা হয় গ্লোরিয়া জিনস রেস্টুরেন্টে। এটা ২০১৬ সালেই। আমি তখন খুব নার্ভাস ছিলাম। কারণ প্রথম একটা মানুষের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। তার মধ্যে আবার ভয় ছিল, মা যদি জানে, তাহলে তো খবর আছে! আবার কেউ যদি দেখে ফেলে! সব মিলে অন্যরকম প্রতিক্রিয়া ছিল। তাই বেশিক্ষণ ছিলাম না। অল্প কিছুক্ষণ থাকার পর তাড়াতাড়ি করে আবার বের হয়ে চলে আসি।

মিম বলেন, “আমাদের সম্পর্কটা এতটা গোপনীয় ছিল যে বান্ধবীর মাধ্যমে সনির সঙ্গে আমার পরিচয় সেও জানতে পেরেছে অনেক পরে। শুরুতে আমার মা’ও রাজি ছিল না। তাই আমরা এই গোপনীয়তা রক্ষা করি। সনির মোবাইলে আমরা নামটি সেভ করা ‘ঢঙ্গী’ নামে। আর আমার মোবাইলে তার নাম ‘সান’। একবার রায়হান রাফির এক শুটিংয়ে ‘সান’ নাম্বার থেকে বারবার কল আসছিল। মোবাইল তখন রাফির কাছে। সে বলে, কে এই ‘সান’ বারবার কল দিচ্ছে।

জবাবে আমি বলেছিলাম সে আমার কস্টিউম ডিজাইনার! করোনার শুরুর সময়টায় মা আমাদের সম্পর্কটা মেনে নেয়। এবার বিশেষ দিনে এসে তা সবাইকে জানিয়ে দিলাম।”

আরও পড়ুন