শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৪ অপরাহ্ন

৭০ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে করতে চান ৭০ জন পাত্রী। শুনতে অবাক লাগলেও এম্নই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে। পত্রিকায় বিয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দেখে ১ সপ্তাহে পাথের সাথে যোগাযোগ করেছে কমপক্ষে ৭০ জন পাত্রী। আর এই পাত্রীর তালিকায় আছে ২৪-২৫ বছরের তরুণীও।

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, ৩১ অক্টোবর একটি বাংলা দৈনিকের ‘পাত্রী চাই’ কলামে বিজ্ঞাপন দেন বাগুইআটির বাসিন্দা গঙ্গোপাধ্যায় (ছদ্মনাম)। ৫০ বছর বা তার চেয়ে কম বয়সী পাত্রী চেয়ে দেয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পাত্র অবসরপ্রাপ্ত আরবিআই ম্যানেজার, বয়স ৭০, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, কলিতে নিজস্ব দোতলা বাড়ি, পেনশন হোল্ডার। সাথে যুক্ত করা হয় দুটি মোবাইল নম্বর।

ওই বিজ্ঞাপন দেয়ার পর থেকেই ফোন দুটি আর বিশ্রাম পাচ্ছে না। একের পর এক ফোন ও ম্যাসেজ আসছে। পাত্রী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ২৪-২৫ থেকে ৬০-৬৫ বছরের নারীরা। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপে ছবিসহ বায়োডাটা পাঠানোর ধুম পড়েছে। রোববার (৭ নভেম্বর) একজন পরিবারসহ দেখাও করে গেছেন।

এ বিষয়ে গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বছর সাতেক আগে তার স্ত্রী মারা গেছে। তার এক মেয়ে আছে। তিনি নিজের সংসার নিয়ে থাকেন। নাতি-নাতনিরা স্কুলে পড়ে। আমার এই বিয়ের যে বিজ্ঞাপন দেয়া বা ইচ্ছে প্রকাশ করা, তাতে তাদের কোনো সমস্যা নেই। বরং পাত্রীর বাড়ির লোকজন আমার বাড়িতে আসলে, তাদের সাথে কথা বলতে আমার মেয়ে-জামাইও এসেছিল।

৭০ বছর বয়সে বিয়ের ইচ্ছা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৃদ্ধাশ্রমের অনেক নিয়ম-কানুন। চিরকাল নিজের মতো করে বেঁচেছি। শেষ বয়সটা অন্যের অধীনে কাটাই কী করে? আর বিয়ে করা মানে তো আমার কাছে অন্য কিছু না। একজন সঙ্গিনীকে কাছে পাওয়া। সে আমায় যাতে দেখভাল করে একটু। বাড়িতে কাজের জন্য রাখলে তো মানুষ আরও কূট মন্তব্য করবে। তার থেকে বিয়ে করে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়াটাই তো ভালো।

পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী নারীদের কেন চাইছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসলে শেষ বয়সে দেখাশোনা করতে গেলে তো একটু শক্তসামর্থ্য নারীর দরকার, তাই চেয়েছি। অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

আরও পড়ুন